এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭

মুসলমানদের বিভ্রান্তিকর বিভ্রান্তি।

প্রায় সব অর্ধশিক্ষিত মুসলমানই মনে করে যে কুরআনে বিজ্ঞানের ছড়াছড়ি। কেউ কেউ অতি উৎসাহী হয়ে দাবীই করে বসে যে বিজ্ঞানীরা নাকি কুরআন গবেষণা করেই সমস্ত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলো করেছেন। কিন্তু যখন প্রম্ন করা হয় যদি কুরআনে সত্যিই বিজ্ঞান থেকে থাকে এবং কুরআন পড়েই যদি বিজ্ঞানের সব কিছুই আবিষ্কার করা যায় তবে মুসলমানরা কুরআন পড়ে বিজ্ঞানের কিছুই আবিষ্কার করতে পারে না কেন? তখনই শুরু হয়ে যায় মুসলমানীয় ত্যাঁনা প্যাচানো। নানা রকম কুযুক্তি অপযুক্তি দিয়ে গায়ের জোরে প্রতিষ্ঠা করতে চায় যে কুরআনেই বিজ্ঞানের সব কিছু রয়েছে। আর বিজ্ঞানীরা কুরআন থেকেই সব কিছু আবিষ্কার করেছে। যদি সত্যিউ তাই হতো তবে কুরআনের হাফেজ, ইসলামবিদ্যানগনই হতো পৃথিবীর শ্রেষ্ট বিজ্ঞানী। সারা পৃথিবীতে অঅসংখ্য মুসলমান পন্ডিত অপন্ডিতরা দিন রাত ভরে কুরআন নিয়েই পড়ে থাকে কিন্দু এক ছটাক বিজ্ঞানও তাদের শরীর থেকে বের হয় না। পৃথিবীর তাবৎ মুসলমানরা যদি দিন রাত চেষ্টা করতে থাকে তবুও কুরআন পড়ে কোন বিজ্ঞানের জ্ঞানই বের করতে পারবে না। (যেসব মুসলমান বিজ্ঞানী বিজ্ঞানে অবদান রেখেছে এবং রেখে চলেছে তারা ইহুদী নাসারা আর নাস্তিকদের বানানো বিজ্ঞানের বই পড়েই বিজ্ঞানের আবিষ্কারগুলো করে। কুরআন বা কোন আরবীয় বই পড়ে নয়। এটা ১০০ ভাগ সত্য।

যদিও মুসলমানরা দিন রাত ধরে চোখ কান বন্ধ করে দাবী করতেই থাকে যে কুরআনে প্রচুর বিজ্ঞান রয়েছে কিন্তু আমরা যখনই কুরআন পড়ে দেখি সেখানে শুধু ভুল আর ভুল দেখতে পাই। তবে তারা কেন এই মিথ্যা দাবীগুলো করে? তাদের সাথে কথা বলতে গেলে বুঝা যায় যে তারা কুরআনকে বিজ্ঞানময় বানাতে যেয়ে নানা রকমের গোজামিল দিয়ে থাকে। তারা বলে যদিও কুরআনে চাঁদের নিজের আলোর কথা বলা হয়েছে কিন্তু কুরআনে আসলে চাঁদের নিজের আলোর জায়গায় চাঁদের প্রতিফলিত আলো হবে। অর্থাৎ তারা কুরআনের অর্থের পরিবর্তন করে ফেলেছে এবং বিজ্ঞানের সাথে মিল রেখেই নতুন অর্থ করেছে যাতে কুরআনের এই ভুলটিকে সংশোষধ করা যায় এবং একই সাথে কুরআনকে বিজ্ঞানময় বানানো যায়। কতবড় ভন্ডামী আর প্রতারনার মাধ্যমেই না তারা কুরআনকে বিজ্ঞানময় বানাচ্ছে!
আকাশ আর পৃথিবী এক সাথে মিশে ছিলো এবং কুরআন লেখক এই দুটোকে আলাদা করে নিয়েছেন- এমনটাই কুরআনে লেখা রয়েছে। এই লেখাটি দেখিয়েই মুসলমানরা দাবী করে কুরআনে নাকী বিগ ব্যাং-এর কথা বলা হয়েছে। বিগ ব্যাং-এ যেমন বলা হয়েছে বিশ্বজগত সৃষ্টি হবার আগে সব কিছু এক সাথে একটি অতিক্ষুদ্র বিন্দুতে মিলিত ছিল ঠিক সেটাই নাকি কুরআনে বলা হয়েছে পৃথিবী আর আকাশের এক সাথে মিশে ছিল এই কথাটি কুরআনে লেখার মাধ্যমে।
কিন্তু মাথায় সামান্যতম ঘিলু থাকা মানুষও বুঝতে পারবে এখানে কুরআন সম্পূর্ণই বিগ ব্যাং-এর বিপরীত কথা বলেছে। উপরন্তু কুরআন এই দাবীটি দ্বারা বিগ ব্যাং-কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সম্পূর্ণ বিজ্ঞান বিরুদ্ধ কথা বলেছে।
কারণ আমরা জানি পৃথিবী নামের আমাদের গ্রহটি সৃষ্টি হয়েছে বিগ ব্যাং-এরও কোটি কোটি বছর পড়ে। আর আকাশ হলো একটি গ্যাসীয় পদার্থের আস্তরণ যা পৃথিবীকে ঘিরে রেখেছে। সুতরাং পৃথিবী আর আকাশ মিশে ছিলো আর এদুটোকে আলাদা করে দেওয়ার সাথে বিগ ব্যাং-এর কোনই সম্পর্ক নেই। লক্ষ করলেই স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে কুরআনের এই কথাটি দাবী করছে পৃথিবী আর আকাশ বিগ ব্যাং-এর আগেই ছিল। যা সম্পূর্ণই বিজ্ঞান বিরুদ্ধ কথা। এটা সম্পূর্ণটাই মিথ্যা। আর কুরআনের এই ভুল কথাটি দিয়েই কিনা মুসলমানরা কুরআনেকে বিজ্ঞানময় দাবী করে। কতটা হাস্যকর এদের দাবী। জ্ঞান বিজ্ঞানে যে এরা প্রচন্ড পিছিয়ে পরা একটা জাতি সেটা তাদের এসব অজ্ঞতা সম্পন্ন দাবী দেখলেই বুঝা যায়।
কুরআনের এসব আয়াততো বিগ ব্যাং-এর কথা বলেই নি উপরন্তু এগুলো সম্পূর্ণই বিজ্ঞানের বিপরীত কথা বলেছে। যা প্রমাণ করে কুরআন একটি প্রাচীন আরবের অজ্ঞ মানুষের লেখা বই।
মুসলমানরা এসব দাবীর পরিপ্রেক্ষিতেও নানা রকম কুযুক্তি অপযুক্তির আমদানী করে থাকে। তারা দাবী করে যেহেতু একটি শব্দের অনেকগুলো অর্থ থাকতে পারে তাই তারা যেমন খুশি কুরআনের অর্থ করতে পারে। এমনকি কুরআনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর নতুন নতুন অর্থ বানিয়েও তারা সেগুলো কুরআনে ব্যবহার করতে পারে। এমনকি তারা চাইলে তাদের নিজেদের মতো করে বিজ্ঞানের সাথে মিলিয়েও কুরআনের নতুন অর্থ বানিয়ে কুরআনকে বিজ্ঞানময় দাবী করতে পারে। আর এভাবেই নাকি কুরআন বিজ্ঞানময় গ্রন্থ হয়ে উঠে। তাদের করা নতুন এবং সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থটি যতই অদ্ভুত হোক না কেন সেটাই নাকি সঠিক। কিন্তু তাদের করা অর্থটি যে সঠিক এমন কোন প্রমাণ তারা দেখাতে পারে না এমনকি তারা দাবী করে তাদের প্রমাণ দেখানোর কোন দরকারই নাকি নেই। তারা যে নতুন ও সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থটি বিজ্ঞানের সাথে মিলাতে তৈরি করেছে সেটাই নাকি সঠিক।
অথচ তারা এক মুহুর্তেই কুরআনকে বিজ্ঞানময় গ্রন্থ বানাতে যেয়ে সম্পূর্ণই নতুন ও ভিন্ন অর্থ তৈরি করেছে যেমন খুশি কুরআনের অর্থ তৈরি করার মাধ্যমে যা গত ১৪০০ বছর ধরে চলে আসা কুরআনের অর্থ থেকে সম্পূর্ণই ভিন্ন।
তাদের দাবী তারা যেমন খুশি অর্থ করার পরেও নাকি কুরআন আল্লাহর লেখা গ্রন্থই থাকে। যদিও আল্লাহর লেখা কুরআনের থেকে তাদের করা নতুন কুরআনের অর্থের মধ্যে আকাশ পাতালের পার্থক্য থাকে।

এছাড়াও তারা অমুক শব্দের তমুক অর্থ এবং তমুক শব্দের ঘমুক অর্থ- এসব বলে বলে দাবী করে তাই তারা কুরআনের যেমন খুশি অর্থ করতে পারে। আল্লাহ নাকি এভাবেই কুরআনকে নাজিল করেছে। যদিও তাদের করা কুরআনের নতুন অর্থটি গত ১৪০০ বছর ধরে চলে আসা কুরআনের অর্থ থেকে সম্পূর্ণই ভিন্ন।
তাহলে প্রশ্ন হলো তারা কিসের ভিত্তিতে কুরআনের নতুন অর্থ করেছে বিজ্ঞানের সাথে কু্রআনকে মিলাতে যেয়ে। তারা যেমনটা কুরআনের সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ করেছে সেটা যে আল্লাহ লিখিত কুরআনই সেটারই বা প্রমাণ কি? আমরা তো দেখছি তারাই তাদের নিজেদের মতো করে কুরআনের নতুন অর্থ করছে! তাই না? তবে সেটা আল্লাহ প্রদত্ত কুরআনের অর্থ হলো কি করে?

এর উত্তরে তারা দাবী করে যে যদিও তারা এর কোন প্রমাণ দিতে পারবে না তবুও সেটাই সত্য। এবং এর বাইরে কুরআনের অন্য কোনই অর্থ পারবে না।
এছাড়া নানা রকমের ত্যাঁনাপ্যাঁচানো কুযুক্তিতো রয়েছেই তাদের!

এভাবেই ভুলে ভরা কুরআন হয়ে উঠছে বিজ্ঞানময় কিতাব। কেউ মেনে নেয় না যেহেতু নানারকম কুযুক্তি, অপযুক্তি এবং প্রমাণহীন দাবী এসব তবুও তারা গায়ের জোরেও কুরআনকে বিজ্ঞানময় বানানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে।

মুসলমানদের এসব কাজ কারবার দেখলে হাসবো নাকি কাঁদবো আমরা কিছুই বুঝে উঠতে পারি না।

বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

মুসলমানদের চমৎকার ভন্ডামী।

যখন কোন মুসলমান ইসলাম প্রচার করে, ইসলামের পক্ষে কথা বলে, ইসলামের শতশত বর্বরতাগুলোকে নানা রকমের গোঁজামিল দিয়ে বৈধতা দেয়, এমনকি নাস্তিকদের নামে নানা রকম কথা বলে মুমিন বান্দাদের ঈমান আমল ঠিক রাখতে ভূমিকা রাখে ততক্ষন পর্যন্ত সেই মুসলমান লোকটির সুনাম এবং সুখ্যাতি নিয়ে মুসলমানরা অনেক বাহাদুরী করতে করতে নানা রকমের চিল্লাফাল্লা করতে থাকে।
কিন্তু সেই লোকটিই যখন ইসলামের বর্বরতা, মিথ্যাবাদিতা ধরে ফেলে এবং মুসলমান থেকে নাস্তিক অথবা অন্য কোন ধর্মের অনুসারী হয় তখন এই মুসলমান মুমিন বান্দারাই সেই এক্স মুসলিমের নামে নানা রকমের কুৎসা রটনা করতে থাকে। তারাই দাবী করে যে সে আসলে মুসলমান নয়, সে ইহুদীদের দালাল, সে কখনই মুসলমানই ছিল না, সে আসলে হিন্দু মালাউন। সেই মুসলমান মুমিন বান্দারা যারা এতোদিন সেই লোকটির নানা রকমের যুক্তি শুনে নিজেদের ঈমান ধরে রেখেছে তারাই দাবী করতে থাকে যে লোকটি কোনদিনও মুসলমান ছিল না, সে ইহুদীদের কাছ থেকে টাকা খেয়ে ইসলামের নামে মিথ্যাচার করছে। এমনকি কেউ কেউ দাবী করতে থাকে সে আসলে মালাউনের বাচ্চা। মুসলমান সেজে এতোদিন মুমিন বান্দাদের ধোঁকা দিয়ে এসেছে।
এতোদিন যাকে প্রশংসা করে এসেছে, ইসলামের সৈনিক- ইসলামেন বীর যোদ্ধা ইত্যাদি বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলতো এই তারাই আবার এক্স মুসলিমটিকে কুৎসিত ভাষাতে গালাগাল দিতে থাকে।
এটা কেন করে? এটা করে তারা সেল্ফ ডিফেন্সের জন্য। যখনই কোন সত্য তাদের সামনে এসে পরে যা তাদের অন্ধবিশ্বাসকে ধ্বংস করে দিতে থাকে তখনই তাদের মস্তিষ্ক সেল্ফ ডিফেন্স হিসেবে নানা করম কুৎসা রটনা করতে থাকে এবং তাকে গালাগাল দিতে থাকে। অর্থাৎ মিথ্যা বলে হলেও অন্ধবিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখতে হবে।

এর প্রমাণ পাই যখন মুফাস্সিল ইসলাম নামের একজন ইসলামের সৈনিক ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে অবিশ্বাসী হয়ে যায় এবং ইসলামের ভূলগুলো ধরিয়ে দিয়েছে বা ইসলামের বর্বরতাগুলো প্রকাশ করে দিয়েছে তখন মুসলমানরা এতোদিন যাকে ইসলামের সৈনিক বলে প্রশংসা করে এসেছে তাকেই কুৎসিত ভাষায় গালাগাল দিতে শুরু করে দেয়। এমন কোন হীন পদ্ধতি নেই যা তারা মুফাস্সিল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করেনি।
ঠিক একই ঘটনা আমরা দেখতে পাই বর্তমানের ইসলাম ছেড়ে দেওয়া আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নামের এক্স মুসলিমের ক্ষেত্রে। যে লোকটি এতোদিন মাওলানা হয়ে, মুফতি হয়ে ইসলমানের খেদমত করে এসেছে; যার শিক্ষায় ইসলামের শিক্ষা গ্রহন করেছে শতশত মুসলমান সেই লোকটিকেই ইসলাম ছেড়ে দেবার কারণে নানা রকম কুৎসা রটনা করছে এবং তাকে নানা কুৎসিত ভাষায় গালাগাল করছে।
মোটকথা কোন মানুষ যতদিন ইসলামের বর্বরতাগুলোকে মাথা পেতে মেনে নেবে ততদিন সেই লোকটি তাদের কাছে ভালো। কিন্তু যখন সে ইসলামের বর্বরতাগুলো ধরে ফেলবে এবং ইসলামের মিথ্যাবাদিতা বুঝতে পেরে ইসলাম ছেড়ে দেবে তখনই সে খারাপ হয়ে যাবে। যদিও সে ইসলাম ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন অপরাধই করেনি তবুও অন্ধবিশ্বাসী মুসলমানদের কাছে সে লোকটি জঘন্য খারাপ হয়ে যাবে। ফলে তার উপর তারা গালাগাল, আক্রমনাত্বক কথাবার্তা এবং কুৎসা রটনা করা শুরু করে তাদের নড়বড়ে ঈমানকে বাঁচিয়ে রাখবে।

মুসলমানদের এসব ভন্ডামীগুলো কখনই থেমে থাকে না। ধর্ম যে মিথ্যা এবং তারা যে একেকটা অন্ধবিশ্বাসী সেটার প্রমান পাওয়া তাদের এসব ভন্ডামী দেখেই।

রবিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৭

ধর্মই অনৈতিকতাকে বৈধতা দিয়েছে। তাই ধর্মের নৈতিকতা আর বাস্তবের নৈতিকতা এক...

ধর্মই অনৈতিকতাকে বৈধতা দিয়েছে। তাই ধর্মের নৈতিকতা আর বাস্তবের নৈতিকতা এ...

আস্তিকদের কথা শুনলে মনে হয়, তাদের কথা হলো - যুক্তি যতই দাও তাল গাছটা আমারই!

পৃথিবীর সব ধর্মের অনুসারীরাই তাদের ধর্মগ্রন্থকে একমাত্র সত্য সৃষ্টিকর্তা দ্বারা প্রদত্ত ধর্মগ্রন্থ বলে বিশ্বাস করে সম্পূর্ণ অন্ধভাবে। এবং তাদের ধর্মগ্রন্থটি হলো নির্ভূল এমনটা মনে করে।
কিন্তু আমরা যখন তাদের ধর্মগ্রন্থকে পড়ে দেখি তখন দেখতে পাই তাদের ধর্মগ্রন্থগুলোতে প্রাচীণ মানুষের ভ্রান্ত ধ্যান ধারণাই বর্ণিত হয়েছে।
ফলে আমরা যখন তাদেরকে তাদের ধর্মগ্রন্থ গুলোর ভূলগুলোকে দেখাই তখন তারা নানা গুজামিল দিতে থাকে। তারা বলতে থাকে, এটা রুপক ভাবে বলা হয়েছে, এটার অর্থটা ভিন্ন, এটা মানা যাবে না ওটা মানতে হবে যদিও ওটা ওখানে লেখা নেই তবুও, সেটা মানা যাবে না অন্যটা মানতে হয়ে ইত্যাদি ইত্যাদি।
অর্থাৎ প্রথমে যদিও তারা দাবী করে তাদের ধর্মগ্রন্থে কোনই ভূল নেই পরে তারাই আবার দাবী করে এটা ওটা সেটার জন্য এটা ওটা সেটা হবে। অর্থাৎ তাদের ধর্মগ্রন্থ কি লেখা আছে সেটা বড় কথা নয়; বড় কথা হচ্ছে তারা কি ভাবে তাদের ধর্মগ্রন্থকে আধুনিক বানাতে পারে সেটাই।
অর্থাৎ যুক্তি যতই দাও তাল গাছটা আমারই!!!

বুধবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৭

আমাদের উচিত মানবিক মানুষ হওয়া।


ইদানিং দেখছি বাংলাদেশি নাস্তিকদের মধ্যে সহনশীলতা, ধোর্য্যশক্তি এবং সহমর্মিতা অনেক কমে গেছে। আমরা যারা বাংলাদেশি নাস্তিক তারা মাথার উপর পাহাড় নিয়েছি। আমরা এই দেশের ধর্মান্ধদের আলোর মূখ দেখাতে আমরা কারছি। তাই আমাদের উচিত অনেক অনেক বেশি ধোর্য্য ধরা, সহনশীল হওয়া এবং সর্বপরি আস্তিকদের প্রতি সহমর্মি হওয়া। কারণ এই আস্তিক শেণী ছোটবেলা থেকে ধর্মবাজদের দ্বারা এবং তার পরিবার দ্বারা ধর্মের মিথ্যাচারে অর্থাৎ কুসংস্কারে অন্ধবিশ্বাসী হয়ে উঠে। ফলে সত্য মিথ্যা যাচাই করার মতো মানসিকতা বা বুদ্ধির স্বাধীনতার সক্ষমতা পায় না। তাই অন্ধবিশ্বাসী, কুসংস্কারাচ্ছন্ন হওয়া এবং ভয়ংকর ধর্মোন্মাধ হওয়া সত্যেও আমাদের উচিত তাদেরকে মানুষ করে তুলা, জ্ঞানের আলোয় তাদের অন্ধকারাচ্ছন্ন মনটাকে আলোকিত করার চেষ্টা করে যাওয়া। তাদেরকে মানসিক রোগী হিসেবে দেখা। কারণ আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা পাহাড়ের মতো দ্বায়িত্ব কাধে নিয়েছি। আমাদের গালাগালি করলে চলবে না। ওই সব অজ্ঞ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী মানুষগুলো আমাদেরই ভাই। একজন ভাই তার ভাইকে যেভাবে অন্ধকার থেকে, কুসংস্কার থেকে যেভাবে উদ্ধার করে ঠিক সেভাবে আমাদেরও উচিত আমাদের দেশের ধর্মাচ্ছন্ন অজ্ঞ মানুষগুলোকে মানুষ করে তুলা।
এজন্য আমাদের গালাগালি করলে চলবে না। মনে রাখতে হবে নাস্তিক হওয়াটা অনেক কঠিন হলেও শুধুমাত্র নাস্তিক হলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বরং আমাদের একজন মানবিকতা সম্পন্ন প্রকৃত মানুষ হতে হবে। তাই আমি নাস্তিক হয়েছি আর আমার একমাত্র দায়িত্ব ধর্মের মিথ্যাবাদিতা প্রকাশ করা, এর বাইরে আমার কোন দায়িত্ব নেই" এমনটি ভাবার কোনই কারণ নেই। আমাদের শুধু নাস্তিক হলেই চলবে না বরং একজন মানবিকতা সম্পন্ন ভালো মানুষ হতে হবে।
তাই আসুন আমরা অযথা গালাগালি পরিহার করে ধোর্য্য সহকারে আস্তিক কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসীদেরকে খুব ভালো ভাবে একজন ভাইয়ের মতো করে বোঝাই। তাদেরকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার চেষ্টা করি। তারা যেন আমাদেরকে তাদের শত্রু না ভাবে সেভাবে ব্যবহার করে চলি।
তাদের ধর্মের সমালোচনা করি কিন্তু তাদের সমালোচনা নয়। তারা মানসিক রোগী ছাড়া আর কিছুই নয়-এমনটা মনে করে তাদের প্রতি সহমর্মি হই। যারা সন্ত্রাসী নয় (ধর্মীয় সন্ত্রাসী নয়) তাদেরকেই আমরা মানুষ করার চেষ্টা করে যাব। তাদের মিথ্যা ধর্মগুলোতে আয়াত করবো কিন্তু তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করে যাবো। একজন মানসিক রোগীর সাথে ডাক্তার যেমনটা আচরণ করে ঠিক সেভাবে।
তাই আমাদের উচিত নাস্তিক হবার সাথে সাথে একজন মানবিক মানুষ হওয়া এবং ধর্মান্ধ মানুষগুলোকে ভালো করা।

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬

ইসলাম আসার আগে আইয়ামে জাহিলিয়া এবং ইসলাম আসার পরে সুপার আইয়ামে জাহিলিয়া !!!

মুসলমানরা হযরত মুহাম্মদের সমস্ত অন্যায় ও বর্বর কাজগুলোকে সে নিজে এবং তার অনুসারীরা বৈধতা দিতে যে অপপ্রচার চালিয়ে ছিল তারমধ্যে সবচেয়ে বড় অপপ্রচারটা ছিল "আয়ামে জাহিলিয়া" বা অন্ধকারের যুগ' এই অপপ্রচারটি। এবং এটি মুসলমানদের দ্বারা সবচেয়ে সফল অপপ্রচার। এখনও মুসলমানরা হযরত মুহাম্মদের কাজগুলোকে বৈধ করতে এই আয়ামে জাহিলিয়ার অপপ্রচারমুলক শব্দটি ব্যবহার করে। আসলেই কি সেরকম কিছু ছিল। দেখা যাক হযরত মুহাম্মদ কি কি আয়ামে জাহিলিয়াময় কাজ করেছে!

ইসলাম আসার আগে আয়ামে জাহিলিয়াতের যুগ মানে অন্ধকারের যুগ ছিল l
আর ইসলাম আসার পরে ফকফকা আলোর যুগের সূচনা হয়েছে l
কি বিশ্বাস করলেন না তো ! তাহলে দেখুন তার কিছু নমুনা !

১. ইসলাম আসার আগে আরবের মানুষ বহু বিবাহে লিপ্ত ছিল l অর্থাত একজন মানুষ একসাথে ১০ টা ২০ টা বিয়ে করতো l আবার ইসলাম আসার পরেও মানুষ ৪ টা ১৩ টা বিয়ে করে l কোন পার্থক্য নেই !

২. ইসলামের আগে আরবের মানুষ শিশু বিবাহ এবং শিশু কামের মত জঘন্য কাজ করতো l ইসলাম আসার পরেও আরবের মানুষ শিশু বিবাহ এবং শিশু কামের মত জঘন্য কাজ করতো এবং করে ! কোন পার্থক্য নেই !

৩. ইসলাম আসার আগে আরবের মানুষ খুন, হত্যা, জুলুম, ধর্ষণ, একে অন্যে মারামারি-বিবাদ এবং যুদ্ধ এসব লেগেই ছিল l আবার ইসলাম আসার পরে খুন, হত্যা, জুলুম, ধর্ষণ, একে অন্যে মারামারি-বিবাদ এবং যুদ্ধ এসব চালিয়েই গেছে l কোন পার্থক্য নেই !

৪. ইসলাম আসার আগে আরবের মানুষ অসহায় নিরীহ মানুষকে জোর করে ধরে নিয়ে যেয়ে বাজারে পশুর মত বিক্রি করতো অর্থাত দাস প্রথা ছিল l আবার ইসলাম আসার পরেও দাস প্রথা বলবৎ ছিল বহাল তবিয়তে l কোন পার্থক্য নেই !


৫. ইসলাম আসার আগে আরবের মানুষ অসহায় মেয়েদের পশুর মত বিক্রি করতো এবং ধনী ক্রেতারা সেই মেয়েদের কিনে নিয়ে যেয়ে ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়ন করতো এবং তাদের সাথে পশুর মত ব্যবহার করতো l ইসলাম আসার পরেও দাসীদের সাথে একই আচরণ করা হত l কোন পার্থক্য নেই l

৬. ইসলাম আসার আগে মানুষ কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তার নামে মানুষকে মেরে ফেলতো শুধু মাত্র বিধর্মী বলে এবং বিধর্মীদের সাথে যুদ্ধ বাধানো হতো l ইসলাম আসার পরেও কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তার নামে মানুষ মেরেছে এবং যুদ্ধ বাধিয়েছে আগের চেয়েও বেশি পরিমানে l কোন পার্থক্য নেই ! বরং আরো বেশি বর্বর ! !!!

উপরের তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে বলা যায় ইসলাম আসার পূর্বে অর্থাত তথাকথিত অন্ধকার যুগে যে যে অন্যায় এবং বর্বরতা চালানো হয়েছে সেসব অন্যায় এবং বর্বরতা আগের মতই চলেছে ইসলাম আসার পরেও l ইসলাম আসার পরে এক সমাজ ব্যবস্থা থেকে অন্য সমাজ ব্যবস্থায় পরিবর্তন হয়েছে মাত্র কিন্তু অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি l ইসলাম আসার আগে যা যা চলত সেগুলোই আরো আইন করে বৈধতা দেয়া হয়েছে ইসলামের মাধ্যমে l তথাকথিত শান্তির ধর্মের নামে বিশ্বে অশান্তির সৃষ্টি করে গেছে ইসলাম l বর্তমান সভ্য জগতের সৃষ্টিতে ইসলাম কোন ভুমিকা রাখেনি l বরং মানুষ নিজের তাগিদে এবং সভ্যতার উন্নতিতে আজকের সভ্য সমাজে রূপান্তর হয়েছে l মানুষ নিজের জ্ঞান দিয়ে এবং মানবিকতার বিকশিয়তায় হত্যা, যুদ্ধ, ধর্ষণ, বহু বিবাহ, শিশু বিবাহ, দাস প্রথা, কলহ বিবাদ, ইত্যাদি জঘন্য কাজ থেকে মানুষ ফিরে এসে সত্যিকারের সভ্য মানুষে পরিবর্তিত হয়েছে এবং বাকিরাও আস্তে আস্তে পরিবর্তিত হয়ে সভ্য মানুষে পরিনত হচ্ছে l আর এতে ইসলাম কোন ভুমিকা রাখেনি l বরং ইসলাম আসার আগে যেমন ছিল ইসলাম আসার পরেও তেমনি ছিল তথাকথিত শান্তির ধর্মের মানুষেরা l
বরং মানুষ ইসলাম বর্জন করে অথবা ইসলামের কুশিক্ষা বর্জন বা ত্যাগ করে মানুষ সভ্য হচ্ছে দিনদিন l আর একশ্রেনীর ইসলাম অনুসারীরা আয়ামে জাহেলিয়া তথা অন্ধকার যুগের ইসলামকে আকড়ে ধরে সেই বর্বরতা চালিয়ে যাবার চেষ্টায় আছে l সভ্য মানুষ সেই আয়ামে জাহিলিয়ার ইসলাম ধারী বর্বর মানুষগুলোকে ঘৃণার সাথে পরিত্যাগ করছে l
তাই আমাদের উচিত ইসলাম এবং সব ধর্মকে অথবা ধর্মের বর্বরতাকে ঘৃনা ভরে পরিত্যাগ করা l

শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৬

তবুও কি আস্তিকদের হুস হবে না?

পৃথিবীতে ধার্মিকদের চেয়ে নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদীরা অপরাধ করে অনেক কম। অপরদিকে ধার্মিকরা প্রতিনিয়ত অন্যায় করে চলেছে। পৃথিবীতে এমন কোন অপরাধ নেই যা আস্তিকরা করছে না। তবুও কি তাদের হুস হবে না? নাস্তিকদেরকে তারা এতো ঘৃণা করে কেন? ওরাতো যুক্তির কথা বলে; বলে বিজ্ঞানের কথা। তবে ওরা এতো ক্ষেপে যায় কেন?

শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৬

ট্রাম্প প্রেসিডেন্টকে নিয়ে কিছু কথা!

যুক্তরাষ্টের নির্বাচনকে ঘিরে সারা পৃথিবী জুরেই চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। ডুনাল্ট ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ায় অনেকে ক্ষুব প্রকাশ করেছে। আবার অনেকে বিদ্রোহও শুরু করে দিয়েছে। বহির্বিশ্বে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা। কেউ কেউ ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ডোনাল্ট ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেছে আমেরিকার সাধারণ জনগন। শর্ত মনে ট্রাম্পকেউ হতে হবে ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট। মানুষ যত সমালোচনাই করুক না কেন এই সত্যটাকে বদলানো যাবে না। যদিও ট্রাম্প ব্যাক্তি হিসেবে সমালোচনারই যোগ্য তবুও আমেরিকার সিংহ ভাগ জনগণের রায়কে সবারই সম্মান দেখানো উচিত।
আমি বলছি না ট্রাম্প আমেরিকার মতো একটি দেশের প্রেসিডেন্ট হবার মতো যথেষ্ঠ যুগ্যতা রাখে। কিন্তু আমেরিকার বেশীর ভাগ জনগন যদি ট্রাম্পকে নির্বাচিত করেই ফেলে তবে গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে এটাই উচিত হবে ট্রাম্পকে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। নিয়ম মতে এটাই হওয়া উচিত।
একথা অস্বীকার্য যে, ট্রাম্পের মতো একজন আত্বকেন্দ্রিক মানুষ যদি ক্ষমতায় যায় তবে আমেরিকার এবং বিশ্বের অন্যান্যদের জন্য খুব একটা সুফল বয়ে আনবে কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা আছে। কিন্তু তবুও এটা আমেরিকান জণগনের নিজস্ব ব্যাপার তারা কাকে নির্বাচিত করবে অথবা কাকে করবে না। নীতি অনুযায়ী নির্বাচিত ব্যাক্তিই প্রেসিডেন্ট হবার যোগ্য এবং তাকে তার প্রাপ্য ক্ষমতা বুঝিয়ে দেওয়াই গণতন্ত্রের আবশ্যিক দায়িত্ব।
বারাক ওবামা বা হিলারীর মতো বিজ্ঞ এবং বিচক্ষণ ব্যাক্তিরা যখন ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেনে নিতে পারে তবে বাকী সবারও সেটা মেনে নেওয়াই উচিত। এটাই গণতন্ত্রের মূল মন্ত্র।
এখন দেখতে হবে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে কতটা সফল হতে পারে। অথবা কতটা ব্যার্থ হয়। বিশ্বের জন্য এবং আমেরিকানদের জন্য যেন কুফল না আসে সেটাই কামনা করি।

শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৬

সময় এসেছে ধর্মের বর্বরতাকে গলা টিপে ধরার।

নাসির নগরে যা হয়েছে সেটা নিয়ে সারা দেশের মানুষই কথা বলছে, প্রতিবাদ করছে। ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক এর অনুভূতির দাবী তুলে দেশে অনেক আগে থেকেই নিষ্ঠুর আক্রমন হয়ে এসেছে। এবারো তার ব্যতিক্রম নয়। ধর্ম মানুষকে কতটা অমানুষ করে তুলে সেটা বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলাগুলো দেখলেই বুঝা যায়। যুগে যুগে ধর্ম সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে এবং এখনও তার ধারা অব্যাহত আছে। যতদিন পৃথিবীতে ধর্ম আছে ততদিন পৃথিবীতে ধ্বংসাত্বক অপরাধগুলো চলতেই থাকবে। আর ইসলাম বিশ্বে প্রধান সন্ত্রাসীর রুপ ধারণ করেছে (ইসলাম আসলে সব সময়ই সব ধর্মের থেকে বেশী সন্ত্রাসীপণা করে এসেছে সবসময়)। আজ যদি ধর্মকে; ধর্মের বর্বরতাকে গলা টিপে না ধরা হয় তবে খুব বেশী দিন বাকী নেই বাংলাদেশ একটি পরিত্যাক্ত জনবসতিহীন হয়ে যাবে। ইসলাম এক দল আরেক দলকে হত্যা করে করে বাংলাদেশটাকে শেষ করে দিবে। সময় এসেছে সভ্য হবার। কুসংস্কার বাদ দিয়ে জ্ঞানকে আকড়ে ধরতে হবে, অন্ধবিশ্বাস থেকে বেড়িয়ে এসে যৌক্তিক বিজ্ঞান নির্ভর সভ্যতা গঠন করতে হবে। তবেই দেশ থেকে কৃসংস্কারময় ধর্ম এবং সাম্প্রদায়িকতার মতো ভয়াবহ ধর্মীয় কার্যকলাপ বন্ধ হবে।

সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬

জন্মের সময় কোন শিশুই কোন ধর্মের অনুসারী হয়ে জন্ম নেয় না যেমনটা ধর্মের অনুসারীরা অন্ধের মতো দাবী করে থাকে!

আস্তিকদের প্রায়ই বলতে শোনা যায় যে, পৃথিবীর সব মানুষই নাকি জন্মের সময় তার (দাবীকারীর) ধর্মের অনুসারী হয়ে জন্ম নেয়। পরবর্তীতে ভিন্ন ধর্মের প্রভাবে তারা তাদের পিতা মাতার ধর্মের অনুসারী হয়ে যায়।
এখন প্রশ্ন হলো, এই একই দাবী করে মুসলমান, হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধ এবং আরো অনেক ধর্মই। এমনকি সব ধর্মের অনুসারীরাই এটাকে দৃঢ় সত্য বলে দাবি করে কোন প্রকার প্রমান ছাড়াই।
তাহলে প্রশ্ন হলো প্রকৃতপক্ষে জন্ম নেওয়া শিশুটি আসলে কোন ধর্মের অনুসারী হয়ে জন্মে?
আমরা জানি এই প্রশ্ন মুসলমান বা হিন্দু বা খৃষ্টান যাদেরকেই করা হোক না কেন তারা তাদের চোখ বন্ধ করে দাবী করবে ওই শিশুটে তাদের ধর্মের অনুসারী হয়েই জন্মেছে।
কিন্তু যখনই তাদের কাছে তাদের দাবীর প্রমাণ চাওয়া হবে তারা নানা রকমের চাপাবাজি করা শুরু করে দেবে। কিন্তু কোন প্রমাণই দিতে পারবে না।
ফলে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে ওইসব ধর্মের অনুসারীদের করা দাবীর কোনই ভিত্তি নেই। কারণ প্রকৃত সত্য হলো কোন শিশুই কোন নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারী হয়ে জন্ম নেয় না। তারা আসলে নিরপেক্ষ থাকে। কিন্ত তাদেরকে তাদের পিতা-মাতাগণ তাদের ধর্ম চাপিয়ে দেয় শৈশবে। যখন তারা সত্য মিথ্যা যাচাই করার মতো কোন জ্ঞানই অর্জন করে না।
এভাবেই ধর্মগুলো যুগযুগ ধরে টিকে আছে।

শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৬

এদের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে কে ভালো মানুষ বলে আপনার মনে হয়?

সুলেমান পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়। ওদিকে নারায়ন সকাল বিকাল পুঁজা করে। মাইকেল প্রতিদিন চার্চে যায়।
কিন্তু ডঃ হাই এরকম কিছুই করে না। তিনি পুরো সময় বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে।

সুলেমান এবং নারায়নের মতো মাইকেলও দান করে ঈশ্বরের সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
কিন্তু ডঃ হাই কোন প্রতিদানের আশায় দান করেন না। তিনি মানব দরদী মন থেকে দান করেন।

সুলেমান ভাবে নারায়ন, মাইকেল, ডঃ হাই ওরাতো নিশ্চিত জাহান্নামে যাবে। তারা আল্লাহকে মানে না তাই তারা নিকৃষ্ট জাতি।
নারায়ন ভাবে সুলেমান, মাইকেল, ডঃ হাই ওরাতো নিশ্চিত নরকে যাবে। তারা ভগমানকে মানে না তাই তারা নিকৃষ্ট জাতি।
মাইকেল ভাবে সুলেমান, নারায়ন, ডঃ হাই ওরাতো নিশ্চিত দোজকে যাবে। তারা গড এবং জেসাসকে মানে না তাই তারা নিকৃষ্ট জাতি।
কিন্তু ডঃ হাই এসব কিছুই ভাবে না। তার কাছে পৃথিবীর সব মানুষই সমান। সবাই মানবিক মানুষ।


এদের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে কে ভালো মানুষ বলে আপনার মনে হয়?

বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬

কুরআন আল্লাহর বাণী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বাণী - প্রমানঃ


প্রমানঃ  এখানে

কথিত ইশ্বর প্রদত্ত ধর্মগ্রন্থের অনুরোপ লেখা মানুষের পক্ষেই লেখা সম্ভব!

ধর্মবাদীরা প্রায়ই দাবী করে যে, তাদের ধর্মগ্রন্থের মতো কোন কিছু লেখা সম্ভব নয়। এই দাবীটা সবচেয়ে বেশী আসে মুসলমানদের কাছ থেকে। তারা বলে তাদের ধর্মগ্রন্থ কুরআনের মতো সূরা বা আয়াত কেউ রচনা করতে পারবে না।
দাবিটা কতটুকু মিথ্যা সেটা এই লিংকটিতে গেলেই বুঝা যায়।
কিছু আয়াত আমি কপি পেস্ট করছি!

01)
সুরা আরম্ভ (বিজ্ঞান) :
১. বিজ্ঞানের নামে শুরু করছি যা মানব জাতির জন্য কল্যাণ ও হিতকর l
২. সমস্ত প্রশংসা সেইসব বিজ্ঞানীদের যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে মানবজাতির উপকারার্থে l
৩. যারা পরম জ্ঞানী , অতিশয় কল্যাণকারী l
৪. যারা বিজ্ঞান ও সমস্ত আবিস্কারের অধিনায়ক l
৫. তাদেরই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি এবং তাদের কাছেই জ্ঞান প্রার্থনা করি l
৬. আমাদেরকে আপনারা জ্ঞান ও আলোর পথ প্রদর্শন করুন l
৭. তাদের পথে যাদেরকে আপনারা জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেছেন;
তাদের পথে নয় যারা বিজ্ঞানের আলো থেকে বঞ্চিত হয়েছে; এবং তাদের পথেও নয় যারা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অন্ধবিশ্বাসী l
(বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীগণ; জয় হোক !)
114)  
সুরা নাস্তিক (মানবতাবাদী)
১. সবাই বলুন: আমরা আশ্রয় চাইছি বিজ্ঞানীদের জ্ঞানের আলোর l
২. যারা বিজ্ঞানের অধিকর্তা l
৩. যারা সমগ্র বিজ্ঞানের অধিনায়ক l
৪. মুখোশধারী ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিভ্রান্তি থেকে l
৫. যারা ধর্মের নামে মিথ্যাচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে l
৬. প্রতারক ধর্ম ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে অথবা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অন্ধবিশ্বাসী আস্তিকদের মধ্য থেকে l

link:

1.
 http://amiatheist.blogspot.com/search/label/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE

2.
http://amiatheist.blogspot.com/search/label/%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%80%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬

ধন্যবাদ জানাই ইন্টারনেটে ধর্মগুলোর সত্যতা প্রকাশ কারী অগনিত ইউটিইবার, ব্লগার এবং ফেইসবুকারদের !

আমি যখন নাস্তিক হলাম তখন আমি ভাবতাম এই পুরো পুথিবীতে হয়তো আমি একাই নাস্তিক। তখন খুব ইচ্ছা হতো আমি নাস্তিকতার ব্যাপারগুলো নিয়ে কারোও সাথে আলাপ করার। কারণ ঈশ্বর, জীবন মরন, ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে অনেক ভাবতাম আর অনেক কষ্ট পেতাম। কিশোর মন ছিলতো তাই এমনটি হতো এখন সেটা বুঝতে পারি। কিন্তু তখনতো আর বুঝতাম না। এখন যখন ভাবি যে এগুলো খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার তখন আর সেই কষ্টগুলো পাই না। তখন ইন্টারনেট ছিল না। তাই আমি জানতে পারিনি যে একটা বিশাল সংখ্যক মানুষ অনেক আগে থেকেই নাস্তিক হয়ে আছে। যদি তখন তাদের সন্ধান পেতাম তবে তাদের সাথে কথা বলতে পারতাম। আমার পাওয়া সে সময়ের কষ্টগুলোও আর পেতে হতো না।
তাই ধন্যবাদ জানাই ইন্টারনেটে ধর্মগুলোর সত্যতা প্রকাশ কারী অগনিত ইউটিইবার, ব্লগার এবং ফেইসবুকারদের !

কেন এই ব্লগ?

আমি অনলাইনে অনেক দিন যাবত লেখালেখি করছি মানবিক মানব নামে। আমি এসেইস্ট নামে আমার একটি ব্যক্তিগত ব্লগও আছে। কিন্তু আমি চিন্তা করে দেখলাম আমার একটি ব্যক্তিগত ব্লগের দরকার যেখানে আমি আমার মনের অভিব্যক্তিগুলো শেয়ার করতে পারি। তাই এই ব্লগটি আমি তৈরি করলাম।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৫

অস্তিত্ব সংকট এবং গুজামিলের ধর্ম ।

ধর্মগুলো অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে বিজ্ঞান যতই এগিয়ে যাচ্ছে অজ্ঞতা ততই দুর হচ্ছে ফলে অজ্ঞতা দ্বারা সৃষ্ট ধর্মগুলোও অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে
ইসলাম, খৃস্টান এবং ইহুদী এই ধর্মগুলো (আব্রাহামিক ধর্ম) মানব সৃষ্টি সম্পর্কে প্রাচীন গল্পকাথার আশ্রয় নিয়েছে প্রাচীন মানুষ জানতো না মানুষ কিভাবে পৃথিবীতে আবির্ভুত হয়েছে কিন্তু তারা তাদের কৌতুহল মেটাতে তৈরী করেছে নানা গল্প-উপকথার আর তার মধ্যে আদম হাওয়ার গল্প খুব উল্লেখযোগ্য এই গল্প বা রুপকথাটি ধর্মে চলে এসেছে বা ধর্মের সৃষ্টিকর্তা প্রাচীন মানুষ এই গল্পটিকে ধর্মে ব্যবহার করেছে ফলে ধর্মগুলো বিশ্বাস করে এসেছে কোন এক (কাল্পনিক) সৃষ্টিকর্তা প্রথমে পৃথিবী থেকে মাটি নিয়ে আদম নামের প্রথম মানুষকে সৃষ্টি করেছে এবং তার শরীরের অংশ থেকে হাওয়াকে সৃষ্টি করেছে আর আদম হাওয়াকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে
কিন্তু বিজ্ঞান আজ বলছে মানুষ কোন এক আদম-হাওয়া জুটি থেকে আবির্ভুত হয়নি বরং মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে অন্য কোন প্রাণী থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষ হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে প্রথমে জড় পদার্থ থেকে এককোষী জীবের উদ্ভব হয়েছে । (প্রথমে অজৈব জড় থেকে জৈব জড় তৈরী হয়েছে এবং পরে জৈব জড় থেকে জীব তৈরী হয়েছে ।) এবং এককোষী জীব থেকে বহুকোষী জীব (উদ্ভিদ ও প্রাণী) তৈরী হয়েছে এভাবে এক জীব থেকে এই বিশাল জীবজগৎ তৈরী হয়েছে এক প্রাণী থেকে আরেক প্রাণী বিবর্তিত হয়ে তৈরী হয়েছে প্রাণী জগৎ শিপ্পাঞ্জী, গড়িলা এবং মানুষ একই প্রাণী থেকে বিবর্তিত হয়েছে

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সৃ্ষ্টিকর্তা কি মানুষকে সৃষ্টি করেছে? নাকি মানুষই সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে?

আসলে সৃষ্টিকর্তাতো এই বিশ্বজগতকে এবং মানুষকে সৃষ্টি করেনি; কারণ সৃষ্টিকর্তার কোন অস্তিত্ব নেই। বরং মানুষই তার কল্পনা দিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে। আমরা জানি মানুষের কল্পনা করার সক্ষমতা রয়েছে। এবং মানুষ তার কল্পনা শক্তির সাহায্যে নানা রকমের কাল্পনিক গল্প এবং চরিত্রে তৈরি করতে পারে। বর্তমানের হলিউডের সিনেমাগুলোই এর প্রমাণ। অপরদিকে এইসব সিনেমার কাহিনীগুলো পৃথিবীর প্রচলিত সৃষ্টিকর্তা (রুপকথার) গল্পের চেয়ে হাজার গুন উন্নত। যেহেতু সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের কোন প্রমাণ নেই এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় তাই একথা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয় যে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সৃষ্টি করেনি বরং মানুষই সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে তার কল্পনার দ্বারা।

শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৪

নাস্তিক হবার শর্ত:-

নাস্তিক হবার শর্ত:-

১. বুদ্ধিমত্বা - বুদ্ধিমত্বা একটু উপরের লেভেলের হতে হবে । কারণ কম বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করে কিন্তু বেশী বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করে । (সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করা এবং সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার মিথ্যে ধারনা বিশ্বাসকে সৃষ্টিকরা এবং হত্যা করা ।)
২. যৌক্তিক মন - যে মন যুক্তি বুঝতে পারে । এবং যুক্তির কাছে অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারকে পরাজিত করতে পারে । এমন মন নয় যে বলে কোন কিছুই সুষ্টিকর্তা ছাড়া সৃষ্টি হতে পারে না আর তাই সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে; কিন্তু এটা বুঝতে পারে না এই যুক্তিতে সৃষ্টিকর্তারও একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে তা না হলে "সবকিছুর সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন" এই যুক্তিটা অর্থহীন হয়ে যায় । এরকম কু-যৌক্তিক মন থাকলে অন্ধবিশ্বাসী আর কুসংস্কারাচ্ছন্নই হওয়া যায়; নাস্তিক হওয়া যায় না ।

৩. বাস্তব জ্ঞান - আপনাকে বাস্তব জ্ঞান অর্থাত বিজ্ঞান সম্পর্কে মোটামুটি ভালো জ্ঞান থাকতে হবে । "পৃথিবী আর আকাশ একসাথে মিশে ছিল আর আল্লাহ এদের আলাদা করে দিয়েছে - এটাই বিগ ব্যাং" এধরনের অপ-বিজ্ঞান জেনে আর যাই হোক বিজ্ঞান জানা হয় না । বিজ্ঞান ভালোভাবে জানতে হবে । "বিবর্তনবাদ একটা থিওরি মাত্র, এটি কোন ফ্যাক্ট নয় আর তা্ই ফসিল সব ভুয়া" এধরনের ফালতু ধারনা বিশ্বাস করা; কিন্তু "ফ্যাক্ট আসলে কি ("what is fact?) সেটা সম্পর্কে কোন ধারনা না থাকাই হচ্ছে বিজ্ঞান সম্পর্কে ভুল ধারনা পোষন করা (ফসিলগুলোই বিবর্তনবাদের ফ্যাক্ট) । আর এই ভূল ধারনা বিশ্বাস করা এবং এগুলোই অহংকারের সাথে প্রকাশ করাই হচ্ছে অজ্ঞতা । এই অন্ধবিশ্বাসগুলোই বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান । তাছাড়া স্বর্গ, নরক, পর-জনম, আদম-হাওয়া প্রভৃতি কাল্পনিক কাহিনী (রুপকথার কাহিনী) এগুলোই বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান । আর বাস্তব জ্ঞান বাদ দিয়ে বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান দিয়ে কোন দিনও নাস্তিক হওয়া যায় না ।
মোট কথায় নাস্তিক হতে হলে সব রকম অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার, কাল্পনিক রুপকথার কাহিনীতে বিশ্বাস, অবৈজ্ঞানিক কুযুক্তি বিশ্বাস এবং যুক্তিহীনতা প্রভৃতি বাদ দিতে হবে ।

রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৪

আমি কুরআন আর হাদিস পড়েই নাস্তিক হয়েছি।

আমি কুরআন আর হাদিস পড়েই নাস্তিক হয়েছি।
অনেক কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসীর দল আমাকে প্রশ্ন করতে পারে, কুরআন পড়ে নাস্তিক হওয়া যায় না। কুরআন হাদিস পড়ে কেবল মাত্র মুসলিমই হওয়া যায়। ডাক্তারের বই পড়লেই কেবল ডাক্তার হওয়া যায়। বিজ্ঞানের বই পড়লেই বিজ্ঞানী হওয়া যায়। কেই বিজ্ঞানের বই পড়ে যেমন মূর্খ হতে পারে না ঠিক তেমনি কুরআন হাদিস পড়লে কেবল মুসলমানই হওয়া যায় নাস্তিক হওয়া যায় না।
সেসব কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই;   ভাই সাহেব আপনি কুরআনের ভূল পেতে চাইলে আপনাকে কুরআনই পড়তে হবে। আপনি বাইবেল পড়লে কুরআনের অসাড়তা বা মিথ্যাবাদিতা ধরতে পারবেন না। বাইবেল পড়লে বাইবেলের ভূল ধরা যায় কুরআনের নয়। ঠিক একই ভাবে কুরআনের ভূল ধরতে গেলে কুরআন পড়তে হবে।
আমি কুরআন পড়েছি, কুরআনের ভুল পেয়েছি; আর তাই আমি নাস্তিক হয়েছি। এজন্য অবশ্য আমাকে বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হয়েছে। নয়তো আমি কুরআনের ভূল ধরতে পারতাম না।
আর এজন্যই নাস্তিক হতে হলে কুরআন আর হাদিস ভালো ভাবে পড়তে হবে। নয়তো মুসলমান হতে হবে।
যারা দাবী করেছে যে, কুরআন পড়ে নাস্তিক হওয়া সম্ভব নয় যেভাবে বিজ্ঞানের বই পড়ে মূর্খ হওয়া যায় না- তাদেরকে বলতে চাই, ভাই আপনি কোন বইয়ের ভূল পেতে চাইলে সেই বইটিই পড়তে হবে। তবেই আপনি সেই বইটার ভূল সম্পর্কে জানতে পারবেন!