এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৩

অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মুসলমানরা

ইসলামের আবির্ভাবের পর থেকে যত সন্ত্রাসীপনা তারা করেছে এবং এখনও করে চলেছে - তারপরেও যারা দাবী করে ইসলাম শাাান্তির ধর্ম তাদের থেকে আবুল মানুষ আর পৃথিবীতে নেই। প্রকৃত সত্য হলো ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সন্ত্রাসের মাধ্যমে (যা অন্য কোন ধর্ম হয়নি)। এই সত্যটি যারা অস্বীকার করে জেনে বা না জেনে তারা কাপুরুষ। সত্য জানা এবং সেটা মেনে নেওয়া কোন সাধারণ মানুষের কাজ নয়। তারা অসাধারণ মানুষ।
ইসলাম সন্ত্রারের ধর্ম এটার প্রমাণ ইসলামের সৃষ্টিকর্তা মুহাম্মদ নিজেই। মুহাম্মদ কুরআন এবং হাদিসে তার প্রমাণ রেখে গেছে।
 এখন কেউ যদি ধর্মানুভূতির দুহাই দিয়ে যা এই সত্যটি জানতে এবং অন্য কাউকে জানতে দিতে চায় না তারাই হলো অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ।

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২

একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত সব ধরণের অর্থহীন কাজ করার আগে সেই কাজের নানা দিক চিন্তা করা।

যখনই দেখবেন আপনার চারপাশের মানুষগুলো কিছু অর্থহীন কাজে নিয়োজিত তখন আপনার উচিত নয় সেই সব অর্থহীন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। বেশিরভাগ মানুষই তার চারপাশের আচার আচরণ দ্বারা প্রভাহিত হয়। যদিও সেসব কাজ সব সময়ই সত্য হয় না। তাই একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত সব ধরণের অর্থহীন কাজ করার আগে সেই কাজের নানা দিক চিন্তা করা। যদি সেই কাজের কোন সত্যতা থাকে এবং সেটির পক্ষে বহু প্রমান উপস্থিত থাকে তবেই কেবল একজন সচেতন মানুষের উচিত সেই কাজের পক্ষ নেওয়া।
তা না হলে সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য করা খুবই অসম্ভব হবে। আমাদের ভূলে গেলে চলবে না যে, বেশীর ভাগ মানুষই ভেরার মতো আনুগত্য হতে পছন্দ করে। যদি সেটা অর্থহীন কাজও হয় তবুও।
এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ আপনারা ধর্মগুলোর আচার অনুষ্ঠানগুলো দেখলেই পাবেন। পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষ নানা রকম অর্থহীন কাজ করে চলেছে তাদের কল্পনাকে সত্য বলে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। এগুলোর পক্ষে কোনরুপ বাস্তব প্রমাণ না পেয়েই।

শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১১

বিশ্বাস করার আগে তথ্য প্রমাণ দেখে নেওয়াই বুদ্ধিমানদের বৈশিষ্ট্য

আমি প্রায়ই বলি, যা আপনি সত্য মনে করেন কিন্তু বাকী মানুষগুলো সত্য মনে করে না, আপনার উচিত ওই বিষয়টির সত্যতা খুব ভালো করে যাচাই করে নেওয়া ভালো। এমন যেন না হয় যে আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে ধোঁকা দেয় আর মিথ্যাকে সত্য রুপে উপস্থাপন করে আপনার কাছে। বরং ভালো হয় প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুই বিশ্বাস না করা। তাহলেই আপনার মস্তিষ্ক সহজে আপনাকে ধোঁকা দিতে পারবে না। বিশ্বাস করার আগে তথ্য প্রমাণ দেখে নেওয়াই বুদ্ধিমানদের বৈশিষ্ট্য।

রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১০

আমি কখনও আমার নৈতিকতাকে বিসর্জন দেব না!

মা আমাকে প্রায়ই বলে, "মসজিদে যা, নামাজ পড়! "
কিন্তু আমি বরাবরের মতই বলি আমি যাব না, নামাযও পড়বো না। সে মানুষটি নামায রোজা বানিয়েছে সেই মানুষটির চরিত্র কতটা জঘন্য সেটা জানার পরেও নামাযে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমি কখনই মসজিদে যাব না।
 মা বলে- বাবা মসজিদে না গেছে সবাই খারাপ বলবে।
আমি প্রতিবাদ করে বলি, কিন্তু তাই বলে আমাকে একজন জঘন্য লোকের অনুসারি হয়ে তার খারাপ কাজ গুলো করতে হবে? মানুষ যাই বলুক আমি কখনও আমার নৈতিকতাকে বিসর্জন দেব না!

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০০৯

কথোপোকথন : নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে চলমান রেষারেষি

"সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য সব সময়ই ছিল এবং সবসময়ই থাকবে। ঠিক তেমনি নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে চলমান রেষারেষি চিরকাল ধরেই চলতে থাকবে।" বললেন আমার এক পরিচিত বড় ভাই।
"আপনি পুরোপুরি মিথ্যা বলেননি! ব্যবধান সব সময়ই থাকবে কথাটা সত্য। কিন্তু তাই বলে তাদের মধ্যকার সত্য মিথ্যার রেষারেষি যে চিরকালই থাকবে সেটি সত্য নয়। যেদিন ধর্মগুলো সমুলে উৎপাটন করে দেওয়া হবে তারপর থেকে দেখবেন নাস্তিক আস্তিকের কোন দন্দ নেই। সবাই নাস্তিক হয়ে একে অন্যের ভাই ভাই হয়ে গেছে।" আমি তাকে প্রতিউত্তরে জানিয়ে দিলাম।
সে চোখ বাঁকা করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো কিন্তু কোন কথা বললো না।

সোমবার, ২১ জানুয়ারি, ২০০৮

সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাস করেও কেউ ভালো হতে পারে। বরং ধার্মিকরাই অপরাধ করে চলে প্রতিনিয়ত।

তোমাকে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করা উচিত! বললেন আমার খুব কাছের একজন মানুষ। সে আরো বললো- সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস না করলে ভালো মানুষ হওয়া যায় না। কারণ ভালো  মন্দ ব্যাপারটা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার দিয়েছেন। তাই যদি সৃষ্টিকর্তাকে কেউ অবিশ্বাস করে তবে সে আর ভালো মানুষ থাকতে পারবে না।
তোমাকে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করা উচিত! বললেন আমার খুব কাছের একজন মানুষ। সে আরো বললো- সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস না করলে ভালো মানুষ হওয়া যায় না। কারণ ভালো  মন্দ ব্যাপারটা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার দিয়েছেন। তাই যদি সৃষ্টিকর্তাকে কেউ অবিশ্বাস করে তবে সে আর ভালো মানুষ থাকতে পারবে না।
আমি উত্তরে বললাম - সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাস করলেই কেউ খারাপ হয়ে যায় না। ভালো খারাপ মানুষের ব্যক্তিগত আচরণ থেকে তৈরী হয়। সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস না করেও কেউ ভালো মানুষ হতে পারে যদি সে খারাপ কাজ না করে এবং সব সময়ই ভালো কাজ করে। ভালো কাজ করতে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করতে হয় না। যার কোন অস্তিত্ব নেই, তাকে বিশ্বাস করে অর্থহীন কিছু কাজ করলেই কেউ ভালো মানুষ হয়ে যায় না যদি সে প্রতিনিয়ত খারাপ কাজ করে চলে। ঘুষ খেয়েও অনেক মানুষ নামাজ পড়ে। একজন ধার্মিক মানুষও কাউকে খুন করলে সে খারাপ মানুষ হয়ে যায়। তাই ভালো খারাপের সাথে সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের কোন সম্পর্ক নেই।
আমি সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করি না; আবার আমি কোন খারাপ কাজও করি না। যেহেতু সৃষ্টিকর্তার কোনই অস্তিত্ব নেই এবং আমি ভালো কাজ করি তাই আমি একজন ভালো মানুষ। এর সাথে সৃষ্টিকর্তার কোনই সম্পর্ক নেই। আছে আমার নৈতিকতা বোধ বা ভালো মানুষিকতার সম্পর্ক। বরং সৃষ্টিকর্তার মতো একটি মিথ্যা ধারণাকে সত্য বলে অন্ধের মতো বিশ্বাস করা এবং তাকে সত্য বলে প্রচার করাটা একটি অন্যায় কাজ। কারণ তাতে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আর মিথ্যা কথা বলা সব সময়ই খারাপ কাজ। আর যারা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পর্কে যারা মিথ্যা ছড়াচ্ছে তারা ভালো কাজ করলেও তাদের মিথ্যাবাদিতার জন্য সব সময়ই খারাপ হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করে। তাই সব ধার্মিকরাই কম করে হলেও খারাপ। কারণ তারা জেনে বা না জেনে মিথ্যা প্রচার করে। অপর দিকে সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী অন্তত এই মিথ্যাবাদীতা থেকে দুরে থাকে।

সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০০৭

আমি অজ্ঞেয়বাদী তাই আমি নামাজ পড়ার মতো অর্থহীন কাজ করতে চাই না।

আমি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি না। যেহেতু আমি মুসলমান পরিবারে জন্ম নিয়েছি তাই জন্ম সূত্রে আমি মুসলমান ছিলাম। আমি আল্লাহকেই সৃষ্টিকর্তা বলে বিশ্বাস করাতাম। কিন্তু সময় যতই যেতে থাকলো একটা পর্যায়ে আমি বুঝতে পারলাম আসলে জন্ম সূত্রে পাওয়া আমার ধর্মটি সত্য নয়। আমি ক্রমেই জানলাম আসলে পৃথিবীর কোন ধর্মই সত্য নয়। তাদের সৃষ্টিকর্তাগুলোও আসলে সত্য নয়। সবাই তাদের কল্পনা দিয়ে তাদের নিজেদের মতো করে সৃষ্টিকর্তাগুলোকে বানিয়েছে। হয়তো বিশ্বজগতের একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছে তবে সেটি পৃথিবীর প্রচলিত কোন সৃষ্টিকর্তা নয়। সৃষ্টিকর্তা বলে কোন একজন থাকলেও থাকতে পারে। কিন্তু আমি আসলে জানি না সৃষ্টিকর্তা থাকার সম্ভাবনা কতটুকু। তবে আমি এটা নিশ্চিত যে পৃথিবীতে প্রচলিত যতগুলো সৃষ্টিকর্তা আছে তার কোনটিরই অস্তিত্ব নেই। যদি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব থাকা সম্ভব হয় এবং সৃষ্টিকর্তা বলে সত্যিই কেউ থেকে থাকে তবে সেটা পৃথিবীর প্রচলিত সৃষ্টিকর্তাগুলোর মধ্যে কেউ নয়। সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন কোন সৃষ্টিকর্তা।
তাই আমাকে যতই নামাজ পড়তে বলা হোক না কেন, আমি মন থেকে কখনই নামাজের মতো অর্থহীন কর্মকান্ড করতে চাই না। যদিও বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে মাঝে মাঝে নামাজের মতো অর্থহীন ফালতু কাজটি করতে বাধ্য হই। আমার বাবা একজন খুবই ধার্মিক মানুষ। যদি সে বুঝতে পারে আমি সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি না তবে সে খুবই কষ্ট পাবে। আর আমি তাকে কষ্ট দিতে চাইনা। কারণ আমি জানি সে একজন অন্ধবিশ্বাসী এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ। তাই আমি চাইনা সে জানুক আমি ইশ্বর বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি না। কারণ আমি আমার বাবাকে ভালোবাসি। সৃষ্টিকর্তাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করাটা আমার কাছে যতই বাজে ব্যাপার হোক না কেন, আমার কাছে তার চেয়েও ভালোবাসা অনুভূতিটা তার থেকেও হাজার গুনে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। তাই সৃষ্টিকর্তার মতো কুসংস্কারকে বিশ্বাস করার পরেও আমি আমার বাবাকে কষ্ট দিতে চাই না। কারণ আমি মানুষ এবং মানবতা বা মণুষ্যত্ব ব্যাপারগুলো আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।