এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৪

বিশ্বজগতের বিস্ময়কর এক সৃষ্টি সময় বা কাল (Time) !

প্রাচীনকাল থেকে মানুষ ভেবে আসছে সময় চিরকাল থেকেই চলে এসেছে এবং চিরকাল থাকবে l অর্থাত সময় চিরন্তন একটা ব্যাপার সময় অনন্ত অসীম
কিন্তু বিজ্ঞান বলে সময় অনন্ত অসীম নয় সময়ের সৃষ্টি হয়েছে একটা নির্দিষ্ট সময় পূর্বে এবং এটির ধ্বংস হবারও খুব বেশি সম্ভাবনা রয়েছে বা ধ্বংস হবে
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী সময় সৃষ্টি হয়েছে বিগ ব্যাং-এর সময় থেকে এর পূর্বে কোন সময় ছিল না কারণ তখন সময় তৈরিই হয়নি অর্থাত বিগ ব্যাং-এর কোন পূর্ব মুহূর্ত ছিল না

মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৩

আমাদের এই বিশ্ব জগতে সত্যিই কি একজন ঈশ্বর থাকা সম্ভব ?

আমাদের এই বিশ্ব জগতে সত্যিই কি একজন ঈশ্বর থাকা সম্ভব ?
পৃথিবীতে সাড়ে সাতশো কোটিরও বেশি মানুষ বাস করে l এদের মধ্যে সিংহ ভাগ মানুষ ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে l এবং এদের মধ্যে সবাই কোনো না কোনো ধর্ম পালন করে l
পৃথিবীতে প্রায় আড়াই হাজার ধর্ম আছে l এবং প্রত্যেকটি ধর্ম একটির থেকে অন্যটি আলাদা l তাদের আদর্শ , নিয়ম কানুন সবকিছুতেই একটি থেকে অন্যটি ভিন্ন l এবং সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে প্রত্যেকের ঈশ্বর বা সৃষ্টি কর্তারাও সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা l তাদের কারো সাথে কারো মিল নেই l কোনো ধর্মে একটি আবার কোনো ধর্মে হাজার হাজার ঈশ্বর l আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো প্রত্যেক ধর্মের অনুসারীরা দাবি করে যে একমাত্র তাদের ধর্ম এবং তাদের ঈশ্বরই হচ্ছে সত্যি আর বাকি সবার ধর্ম এবং ঈশ্বর মিথ্যা l
এবার ধরি, এদের মধ্যে একটা ধর্ম সত্যি l সেই সত্যি ধর্মটা যেকোনো একটি হতে পারে l ফলে বাকি ধর্ম গুলো মিথ্যা হয়ে যায় l এখন আমদের বের করতে হবে কোন ধর্মটা সত্যি l

শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৩

অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মুসলমানরা

ইসলামের আবির্ভাবের পর থেকে যত সন্ত্রাসীপনা তারা করেছে এবং এখনও করে চলেছে - তারপরেও যারা দাবী করে ইসলাম শাাান্তির ধর্ম তাদের থেকে আবুল মানুষ আর পৃথিবীতে নেই। প্রকৃত সত্য হলো ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সন্ত্রাসের মাধ্যমে (যা অন্য কোন ধর্ম হয়নি)। এই সত্যটি যারা অস্বীকার করে জেনে বা না জেনে তারা কাপুরুষ। সত্য জানা এবং সেটা মেনে নেওয়া কোন সাধারণ মানুষের কাজ নয়। তারা অসাধারণ মানুষ।
ইসলাম সন্ত্রারের ধর্ম এটার প্রমাণ ইসলামের সৃষ্টিকর্তা মুহাম্মদ নিজেই। মুহাম্মদ কুরআন এবং হাদিসে তার প্রমাণ রেখে গেছে।
 এখন কেউ যদি ধর্মানুভূতির দুহাই দিয়ে যা এই সত্যটি জানতে এবং অন্য কাউকে জানতে দিতে চায় না তারাই হলো অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ।

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২

একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত সব ধরণের অর্থহীন কাজ করার আগে সেই কাজের নানা দিক চিন্তা করা।

যখনই দেখবেন আপনার চারপাশের মানুষগুলো কিছু অর্থহীন কাজে নিয়োজিত তখন আপনার উচিত নয় সেই সব অর্থহীন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। বেশিরভাগ মানুষই তার চারপাশের আচার আচরণ দ্বারা প্রভাহিত হয়। যদিও সেসব কাজ সব সময়ই সত্য হয় না। তাই একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত সব ধরণের অর্থহীন কাজ করার আগে সেই কাজের নানা দিক চিন্তা করা। যদি সেই কাজের কোন সত্যতা থাকে এবং সেটির পক্ষে বহু প্রমান উপস্থিত থাকে তবেই কেবল একজন সচেতন মানুষের উচিত সেই কাজের পক্ষ নেওয়া।
তা না হলে সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য করা খুবই অসম্ভব হবে। আমাদের ভূলে গেলে চলবে না যে, বেশীর ভাগ মানুষই ভেরার মতো আনুগত্য হতে পছন্দ করে। যদি সেটা অর্থহীন কাজও হয় তবুও।
এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ আপনারা ধর্মগুলোর আচার অনুষ্ঠানগুলো দেখলেই পাবেন। পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষ নানা রকম অর্থহীন কাজ করে চলেছে তাদের কল্পনাকে সত্য বলে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। এগুলোর পক্ষে কোনরুপ বাস্তব প্রমাণ না পেয়েই।

শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১১

বিশ্বাস করার আগে তথ্য প্রমাণ দেখে নেওয়াই বুদ্ধিমানদের বৈশিষ্ট্য

আমি প্রায়ই বলি, যা আপনি সত্য মনে করেন কিন্তু বাকী মানুষগুলো সত্য মনে করে না, আপনার উচিত ওই বিষয়টির সত্যতা খুব ভালো করে যাচাই করে নেওয়া ভালো। এমন যেন না হয় যে আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে ধোঁকা দেয় আর মিথ্যাকে সত্য রুপে উপস্থাপন করে আপনার কাছে। বরং ভালো হয় প্রমাণ ছাড়া কোন কিছুই বিশ্বাস না করা। তাহলেই আপনার মস্তিষ্ক সহজে আপনাকে ধোঁকা দিতে পারবে না। বিশ্বাস করার আগে তথ্য প্রমাণ দেখে নেওয়াই বুদ্ধিমানদের বৈশিষ্ট্য।

রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১০

আমি কখনও আমার নৈতিকতাকে বিসর্জন দেব না!

মা আমাকে প্রায়ই বলে, "মসজিদে যা, নামাজ পড়! "
কিন্তু আমি বরাবরের মতই বলি আমি যাব না, নামাযও পড়বো না। সে মানুষটি নামায রোজা বানিয়েছে সেই মানুষটির চরিত্র কতটা জঘন্য সেটা জানার পরেও নামাযে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমি কখনই মসজিদে যাব না।
 মা বলে- বাবা মসজিদে না গেছে সবাই খারাপ বলবে।
আমি প্রতিবাদ করে বলি, কিন্তু তাই বলে আমাকে একজন জঘন্য লোকের অনুসারি হয়ে তার খারাপ কাজ গুলো করতে হবে? মানুষ যাই বলুক আমি কখনও আমার নৈতিকতাকে বিসর্জন দেব না!

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০০৯

কথোপোকথন : নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে চলমান রেষারেষি

"সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য সব সময়ই ছিল এবং সবসময়ই থাকবে। ঠিক তেমনি নাস্তিক আর আস্তিকের মধ্যে চলমান রেষারেষি চিরকাল ধরেই চলতে থাকবে।" বললেন আমার এক পরিচিত বড় ভাই।
"আপনি পুরোপুরি মিথ্যা বলেননি! ব্যবধান সব সময়ই থাকবে কথাটা সত্য। কিন্তু তাই বলে তাদের মধ্যকার সত্য মিথ্যার রেষারেষি যে চিরকালই থাকবে সেটি সত্য নয়। যেদিন ধর্মগুলো সমুলে উৎপাটন করে দেওয়া হবে তারপর থেকে দেখবেন নাস্তিক আস্তিকের কোন দন্দ নেই। সবাই নাস্তিক হয়ে একে অন্যের ভাই ভাই হয়ে গেছে।" আমি তাকে প্রতিউত্তরে জানিয়ে দিলাম।
সে চোখ বাঁকা করে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো কিন্তু কোন কথা বললো না।