এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬

কথিত ইশ্বর প্রদত্ত ধর্মগ্রন্থের অনুরোপ লেখা মানুষের পক্ষেই লেখা সম্ভব!

ধর্মবাদীরা প্রায়ই দাবী করে যে, তাদের ধর্মগ্রন্থের মতো কোন কিছু লেখা সম্ভব নয়। এই দাবীটা সবচেয়ে বেশী আসে মুসলমানদের কাছ থেকে। তারা বলে তাদের ধর্মগ্রন্থ কুরআনের মতো সূরা বা আয়াত কেউ রচনা করতে পারবে না।
দাবিটা কতটুকু মিথ্যা সেটা এই লিংকটিতে গেলেই বুঝা যায়।
কিছু আয়াত আমি কপি পেস্ট করছি!

01)
সুরা আরম্ভ (বিজ্ঞান) :
১. বিজ্ঞানের নামে শুরু করছি যা মানব জাতির জন্য কল্যাণ ও হিতকর l
২. সমস্ত প্রশংসা সেইসব বিজ্ঞানীদের যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে মানবজাতির উপকারার্থে l
৩. যারা পরম জ্ঞানী , অতিশয় কল্যাণকারী l
৪. যারা বিজ্ঞান ও সমস্ত আবিস্কারের অধিনায়ক l
৫. তাদেরই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি এবং তাদের কাছেই জ্ঞান প্রার্থনা করি l
৬. আমাদেরকে আপনারা জ্ঞান ও আলোর পথ প্রদর্শন করুন l
৭. তাদের পথে যাদেরকে আপনারা জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেছেন;
তাদের পথে নয় যারা বিজ্ঞানের আলো থেকে বঞ্চিত হয়েছে; এবং তাদের পথেও নয় যারা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অন্ধবিশ্বাসী l
(বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীগণ; জয় হোক !)
114)  
সুরা নাস্তিক (মানবতাবাদী)
১. সবাই বলুন: আমরা আশ্রয় চাইছি বিজ্ঞানীদের জ্ঞানের আলোর l
২. যারা বিজ্ঞানের অধিকর্তা l
৩. যারা সমগ্র বিজ্ঞানের অধিনায়ক l
৪. মুখোশধারী ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিভ্রান্তি থেকে l
৫. যারা ধর্মের নামে মিথ্যাচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে l
৬. প্রতারক ধর্ম ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে অথবা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অন্ধবিশ্বাসী আস্তিকদের মধ্য থেকে l

link:

1.
 http://amiatheist.blogspot.com/search/label/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%20%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BE%20%E0%A6%95%E0%A6%BF%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%BE

2.
http://amiatheist.blogspot.com/search/label/%E0%A6%B8%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%86%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%80%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B9

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৬

ধন্যবাদ জানাই ইন্টারনেটে ধর্মগুলোর সত্যতা প্রকাশ কারী অগনিত ইউটিইবার, ব্লগার এবং ফেইসবুকারদের !

আমি যখন নাস্তিক হলাম তখন আমি ভাবতাম এই পুরো পুথিবীতে হয়তো আমি একাই নাস্তিক। তখন খুব ইচ্ছা হতো আমি নাস্তিকতার ব্যাপারগুলো নিয়ে কারোও সাথে আলাপ করার। কারণ ঈশ্বর, জীবন মরন, ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে অনেক ভাবতাম আর অনেক কষ্ট পেতাম। কিশোর মন ছিলতো তাই এমনটি হতো এখন সেটা বুঝতে পারি। কিন্তু তখনতো আর বুঝতাম না। এখন যখন ভাবি যে এগুলো খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার তখন আর সেই কষ্টগুলো পাই না। তখন ইন্টারনেট ছিল না। তাই আমি জানতে পারিনি যে একটা বিশাল সংখ্যক মানুষ অনেক আগে থেকেই নাস্তিক হয়ে আছে। যদি তখন তাদের সন্ধান পেতাম তবে তাদের সাথে কথা বলতে পারতাম। আমার পাওয়া সে সময়ের কষ্টগুলোও আর পেতে হতো না।
তাই ধন্যবাদ জানাই ইন্টারনেটে ধর্মগুলোর সত্যতা প্রকাশ কারী অগনিত ইউটিইবার, ব্লগার এবং ফেইসবুকারদের !

কেন এই ব্লগ?

আমি অনলাইনে অনেক দিন যাবত লেখালেখি করছি মানবিক মানব নামে। আমি এসেইস্ট নামে আমার একটি ব্যক্তিগত ব্লগও আছে। কিন্তু আমি চিন্তা করে দেখলাম আমার একটি ব্যক্তিগত ব্লগের দরকার যেখানে আমি আমার মনের অভিব্যক্তিগুলো শেয়ার করতে পারি। তাই এই ব্লগটি আমি তৈরি করলাম।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৫

অস্তিত্ব সংকট এবং গুজামিলের ধর্ম ।

ধর্মগুলো অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে বিজ্ঞান যতই এগিয়ে যাচ্ছে অজ্ঞতা ততই দুর হচ্ছে ফলে অজ্ঞতা দ্বারা সৃষ্ট ধর্মগুলোও অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে
ইসলাম, খৃস্টান এবং ইহুদী এই ধর্মগুলো (আব্রাহামিক ধর্ম) মানব সৃষ্টি সম্পর্কে প্রাচীন গল্পকাথার আশ্রয় নিয়েছে প্রাচীন মানুষ জানতো না মানুষ কিভাবে পৃথিবীতে আবির্ভুত হয়েছে কিন্তু তারা তাদের কৌতুহল মেটাতে তৈরী করেছে নানা গল্প-উপকথার আর তার মধ্যে আদম হাওয়ার গল্প খুব উল্লেখযোগ্য এই গল্প বা রুপকথাটি ধর্মে চলে এসেছে বা ধর্মের সৃষ্টিকর্তা প্রাচীন মানুষ এই গল্পটিকে ধর্মে ব্যবহার করেছে ফলে ধর্মগুলো বিশ্বাস করে এসেছে কোন এক (কাল্পনিক) সৃষ্টিকর্তা প্রথমে পৃথিবী থেকে মাটি নিয়ে আদম নামের প্রথম মানুষকে সৃষ্টি করেছে এবং তার শরীরের অংশ থেকে হাওয়াকে সৃষ্টি করেছে আর আদম হাওয়াকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে
কিন্তু বিজ্ঞান আজ বলছে মানুষ কোন এক আদম-হাওয়া জুটি থেকে আবির্ভুত হয়নি বরং মানুষ বিবর্তনের মাধ্যমে অন্য কোন প্রাণী থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষ হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে প্রথমে জড় পদার্থ থেকে এককোষী জীবের উদ্ভব হয়েছে । (প্রথমে অজৈব জড় থেকে জৈব জড় তৈরী হয়েছে এবং পরে জৈব জড় থেকে জীব তৈরী হয়েছে ।) এবং এককোষী জীব থেকে বহুকোষী জীব (উদ্ভিদ ও প্রাণী) তৈরী হয়েছে এভাবে এক জীব থেকে এই বিশাল জীবজগৎ তৈরী হয়েছে এক প্রাণী থেকে আরেক প্রাণী বিবর্তিত হয়ে তৈরী হয়েছে প্রাণী জগৎ শিপ্পাঞ্জী, গড়িলা এবং মানুষ একই প্রাণী থেকে বিবর্তিত হয়েছে

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সৃ্ষ্টিকর্তা কি মানুষকে সৃষ্টি করেছে? নাকি মানুষই সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে?

আসলে সৃষ্টিকর্তাতো এই বিশ্বজগতকে এবং মানুষকে সৃষ্টি করেনি; কারণ সৃষ্টিকর্তার কোন অস্তিত্ব নেই। বরং মানুষই তার কল্পনা দিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে। আমরা জানি মানুষের কল্পনা করার সক্ষমতা রয়েছে। এবং মানুষ তার কল্পনা শক্তির সাহায্যে নানা রকমের কাল্পনিক গল্প এবং চরিত্রে তৈরি করতে পারে। বর্তমানের হলিউডের সিনেমাগুলোই এর প্রমাণ। অপরদিকে এইসব সিনেমার কাহিনীগুলো পৃথিবীর প্রচলিত সৃষ্টিকর্তা (রুপকথার) গল্পের চেয়ে হাজার গুন উন্নত। যেহেতু সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের কোন প্রমাণ নেই এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় তাই একথা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয় যে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সৃষ্টি করেনি বরং মানুষই সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে তার কল্পনার দ্বারা।

শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৪

নাস্তিক হবার শর্ত:-

নাস্তিক হবার শর্ত:-

১. বুদ্ধিমত্বা - বুদ্ধিমত্বা একটু উপরের লেভেলের হতে হবে । কারণ কম বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করে কিন্তু বেশী বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করে । (সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করা এবং সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার মিথ্যে ধারনা বিশ্বাসকে সৃষ্টিকরা এবং হত্যা করা ।)
২. যৌক্তিক মন - যে মন যুক্তি বুঝতে পারে । এবং যুক্তির কাছে অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারকে পরাজিত করতে পারে । এমন মন নয় যে বলে কোন কিছুই সুষ্টিকর্তা ছাড়া সৃষ্টি হতে পারে না আর তাই সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে; কিন্তু এটা বুঝতে পারে না এই যুক্তিতে সৃষ্টিকর্তারও একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে তা না হলে "সবকিছুর সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন" এই যুক্তিটা অর্থহীন হয়ে যায় । এরকম কু-যৌক্তিক মন থাকলে অন্ধবিশ্বাসী আর কুসংস্কারাচ্ছন্নই হওয়া যায়; নাস্তিক হওয়া যায় না ।

৩. বাস্তব জ্ঞান - আপনাকে বাস্তব জ্ঞান অর্থাত বিজ্ঞান সম্পর্কে মোটামুটি ভালো জ্ঞান থাকতে হবে । "পৃথিবী আর আকাশ একসাথে মিশে ছিল আর আল্লাহ এদের আলাদা করে দিয়েছে - এটাই বিগ ব্যাং" এধরনের অপ-বিজ্ঞান জেনে আর যাই হোক বিজ্ঞান জানা হয় না । বিজ্ঞান ভালোভাবে জানতে হবে । "বিবর্তনবাদ একটা থিওরি মাত্র, এটি কোন ফ্যাক্ট নয় আর তা্ই ফসিল সব ভুয়া" এধরনের ফালতু ধারনা বিশ্বাস করা; কিন্তু "ফ্যাক্ট আসলে কি ("what is fact?) সেটা সম্পর্কে কোন ধারনা না থাকাই হচ্ছে বিজ্ঞান সম্পর্কে ভুল ধারনা পোষন করা (ফসিলগুলোই বিবর্তনবাদের ফ্যাক্ট) । আর এই ভূল ধারনা বিশ্বাস করা এবং এগুলোই অহংকারের সাথে প্রকাশ করাই হচ্ছে অজ্ঞতা । এই অন্ধবিশ্বাসগুলোই বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান । তাছাড়া স্বর্গ, নরক, পর-জনম, আদম-হাওয়া প্রভৃতি কাল্পনিক কাহিনী (রুপকথার কাহিনী) এগুলোই বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান । আর বাস্তব জ্ঞান বাদ দিয়ে বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান দিয়ে কোন দিনও নাস্তিক হওয়া যায় না ।
মোট কথায় নাস্তিক হতে হলে সব রকম অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার, কাল্পনিক রুপকথার কাহিনীতে বিশ্বাস, অবৈজ্ঞানিক কুযুক্তি বিশ্বাস এবং যুক্তিহীনতা প্রভৃতি বাদ দিতে হবে ।

রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৪

আমি কুরআন আর হাদিস পড়েই নাস্তিক হয়েছি।

আমি কুরআন আর হাদিস পড়েই নাস্তিক হয়েছি।
অনেক কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসীর দল আমাকে প্রশ্ন করতে পারে, কুরআন পড়ে নাস্তিক হওয়া যায় না। কুরআন হাদিস পড়ে কেবল মাত্র মুসলিমই হওয়া যায়। ডাক্তারের বই পড়লেই কেবল ডাক্তার হওয়া যায়। বিজ্ঞানের বই পড়লেই বিজ্ঞানী হওয়া যায়। কেই বিজ্ঞানের বই পড়ে যেমন মূর্খ হতে পারে না ঠিক তেমনি কুরআন হাদিস পড়লে কেবল মুসলমানই হওয়া যায় নাস্তিক হওয়া যায় না।
সেসব কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই;   ভাই সাহেব আপনি কুরআনের ভূল পেতে চাইলে আপনাকে কুরআনই পড়তে হবে। আপনি বাইবেল পড়লে কুরআনের অসাড়তা বা মিথ্যাবাদিতা ধরতে পারবেন না। বাইবেল পড়লে বাইবেলের ভূল ধরা যায় কুরআনের নয়। ঠিক একই ভাবে কুরআনের ভূল ধরতে গেলে কুরআন পড়তে হবে।
আমি কুরআন পড়েছি, কুরআনের ভুল পেয়েছি; আর তাই আমি নাস্তিক হয়েছি। এজন্য অবশ্য আমাকে বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হয়েছে। নয়তো আমি কুরআনের ভূল ধরতে পারতাম না।
আর এজন্যই নাস্তিক হতে হলে কুরআন আর হাদিস ভালো ভাবে পড়তে হবে। নয়তো মুসলমান হতে হবে।
যারা দাবী করেছে যে, কুরআন পড়ে নাস্তিক হওয়া সম্ভব নয় যেভাবে বিজ্ঞানের বই পড়ে মূর্খ হওয়া যায় না- তাদেরকে বলতে চাই, ভাই আপনি কোন বইয়ের ভূল পেতে চাইলে সেই বইটিই পড়তে হবে। তবেই আপনি সেই বইটার ভূল সম্পর্কে জানতে পারবেন!