বিশ্বজগতের কোন সৃষ্টিকর্তা নেই। যদি থাকতোই তবে সৃষ্টিকর্তা প্রেরিত পয়গম্বরদের দেওয়া ধারণাগুলো সত্যি হতো! অথচ তাদের কথাগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। আদম-হাওয়ার গল্প মতে মানুষ পৃথিবীতে আসেনি। বিগ ব্যাং-এর মাধ্যম বিশ্বজগত সৃষ্টিতে কোন সৃষ্টিকর্তারই দরকার পরেনি। পৃথিবীতে কোন প্রমাণই নেই যাতে প্রমাণ করে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব বাস্তব। বরং বিজ্ঞানের সব আবিষ্কারগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে বিশ্বাজগত কোন সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেনি। কুরআন কোন সৃষ্টিকর্তার বাণী নয়। কুরআন প্রাচীণ এক আরবের প্রাচীণ মানুষ মুহাম্মদ (সাঃ) এর নিজের বানানো। সৃষ্টিকর্তা বলে কোন কিছু নেই।
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০০৩
আল্লাহর উচিত নতুন নবি পাঠানো যে নতুন এবং আধুনিক ধর্মগ্রন্থ আনবে!
কুরআনের বর্ণনা খুব বেশী প্রাচীণ। বিশ্বজগতের যে বর্ননা কুরআন দিয়েছে সেটা ১৪০০ বছর আগের মানুষের জন্য উপযুক্ত হলেও একবিংশ শতাব্দিতে এসে এটি আর উপযুক্ত নয়। যদি সৃষ্টিকর্তা সত্যিউ নবী রাসুল প্রেরণ করে থাকে তবে তার উচিত আধুনিক যুগে একজন নবী পাঠানো যে একটি আধুনিক ধর্মগ্রন্থ আনবে। এবং সেই ধর্মগ্রন্থ বিজ্ঞানের আধুনিক বিষয়গুলো থাকবে। বিশেষ করে বিশ্বজগতের যে বর্ণনা কুরআন থেকে পাই সেটা দেখলে মনে হয় মানুষ যতটুকু দেখেছে পৃথিবীর বুকে দাড়িয়ে ততটুকুই আল্লাহ কুরআনে বর্ণনা করেছে। যদি আল্লাহ ইসলামকে মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তুলতে চায় তবে তার উচিত আরেকজন নবী পাঠানো যে আরেকটি ধর্মগ্রন্থ আনবে যাতে বিশ্বজগতের বর্ণনা কুরআনের প্রাচীণ বর্ণনার চেয়ে বেশী থাকবে।
সোমবার, ২ ডিসেম্বর, ২০০২
প্রার্থনা কোন কাজে দেয় না
প্রার্থনা কোন কাজে দেয় না। আমি যখন বুঝতে পারলাম নানা ভাবে সব রকম প্রার্থনার চেষ্টা করে তখন সীদ্ধান্ত নিলাম সৃষ্টিকর্তা কারো প্রার্থনা শুনে না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)