এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সৃ্ষ্টিকর্তা কি মানুষকে সৃষ্টি করেছে? নাকি মানুষই সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে?

আসলে সৃষ্টিকর্তাতো এই বিশ্বজগতকে এবং মানুষকে সৃষ্টি করেনি; কারণ সৃষ্টিকর্তার কোন অস্তিত্ব নেই। বরং মানুষই তার কল্পনা দিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে। আমরা জানি মানুষের কল্পনা করার সক্ষমতা রয়েছে। এবং মানুষ তার কল্পনা শক্তির সাহায্যে নানা রকমের কাল্পনিক গল্প এবং চরিত্রে তৈরি করতে পারে। বর্তমানের হলিউডের সিনেমাগুলোই এর প্রমাণ। অপরদিকে এইসব সিনেমার কাহিনীগুলো পৃথিবীর প্রচলিত সৃষ্টিকর্তা (রুপকথার) গল্পের চেয়ে হাজার গুন উন্নত। যেহেতু সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের কোন প্রমাণ নেই এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় তাই একথা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয় যে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সৃষ্টি করেনি বরং মানুষই সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করেছে তার কল্পনার দ্বারা।

শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৪

নাস্তিক হবার শর্ত:-

নাস্তিক হবার শর্ত:-

১. বুদ্ধিমত্বা - বুদ্ধিমত্বা একটু উপরের লেভেলের হতে হবে । কারণ কম বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করে কিন্তু বেশী বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করে । (সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করা এবং সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার মিথ্যে ধারনা বিশ্বাসকে সৃষ্টিকরা এবং হত্যা করা ।)
২. যৌক্তিক মন - যে মন যুক্তি বুঝতে পারে । এবং যুক্তির কাছে অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারকে পরাজিত করতে পারে । এমন মন নয় যে বলে কোন কিছুই সুষ্টিকর্তা ছাড়া সৃষ্টি হতে পারে না আর তাই সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে; কিন্তু এটা বুঝতে পারে না এই যুক্তিতে সৃষ্টিকর্তারও একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে তা না হলে "সবকিছুর সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন" এই যুক্তিটা অর্থহীন হয়ে যায় । এরকম কু-যৌক্তিক মন থাকলে অন্ধবিশ্বাসী আর কুসংস্কারাচ্ছন্নই হওয়া যায়; নাস্তিক হওয়া যায় না ।

৩. বাস্তব জ্ঞান - আপনাকে বাস্তব জ্ঞান অর্থাত বিজ্ঞান সম্পর্কে মোটামুটি ভালো জ্ঞান থাকতে হবে । "পৃথিবী আর আকাশ একসাথে মিশে ছিল আর আল্লাহ এদের আলাদা করে দিয়েছে - এটাই বিগ ব্যাং" এধরনের অপ-বিজ্ঞান জেনে আর যাই হোক বিজ্ঞান জানা হয় না । বিজ্ঞান ভালোভাবে জানতে হবে । "বিবর্তনবাদ একটা থিওরি মাত্র, এটি কোন ফ্যাক্ট নয় আর তা্ই ফসিল সব ভুয়া" এধরনের ফালতু ধারনা বিশ্বাস করা; কিন্তু "ফ্যাক্ট আসলে কি ("what is fact?) সেটা সম্পর্কে কোন ধারনা না থাকাই হচ্ছে বিজ্ঞান সম্পর্কে ভুল ধারনা পোষন করা (ফসিলগুলোই বিবর্তনবাদের ফ্যাক্ট) । আর এই ভূল ধারনা বিশ্বাস করা এবং এগুলোই অহংকারের সাথে প্রকাশ করাই হচ্ছে অজ্ঞতা । এই অন্ধবিশ্বাসগুলোই বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান । তাছাড়া স্বর্গ, নরক, পর-জনম, আদম-হাওয়া প্রভৃতি কাল্পনিক কাহিনী (রুপকথার কাহিনী) এগুলোই বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান । আর বাস্তব জ্ঞান বাদ দিয়ে বাস্তবতা বহির্ভুত জ্ঞান দিয়ে কোন দিনও নাস্তিক হওয়া যায় না ।
মোট কথায় নাস্তিক হতে হলে সব রকম অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার, কাল্পনিক রুপকথার কাহিনীতে বিশ্বাস, অবৈজ্ঞানিক কুযুক্তি বিশ্বাস এবং যুক্তিহীনতা প্রভৃতি বাদ দিতে হবে ।

রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৪

আমি কুরআন আর হাদিস পড়েই নাস্তিক হয়েছি।

আমি কুরআন আর হাদিস পড়েই নাস্তিক হয়েছি।
অনেক কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসীর দল আমাকে প্রশ্ন করতে পারে, কুরআন পড়ে নাস্তিক হওয়া যায় না। কুরআন হাদিস পড়ে কেবল মাত্র মুসলিমই হওয়া যায়। ডাক্তারের বই পড়লেই কেবল ডাক্তার হওয়া যায়। বিজ্ঞানের বই পড়লেই বিজ্ঞানী হওয়া যায়। কেই বিজ্ঞানের বই পড়ে যেমন মূর্খ হতে পারে না ঠিক তেমনি কুরআন হাদিস পড়লে কেবল মুসলমানই হওয়া যায় নাস্তিক হওয়া যায় না।
সেসব কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই;   ভাই সাহেব আপনি কুরআনের ভূল পেতে চাইলে আপনাকে কুরআনই পড়তে হবে। আপনি বাইবেল পড়লে কুরআনের অসাড়তা বা মিথ্যাবাদিতা ধরতে পারবেন না। বাইবেল পড়লে বাইবেলের ভূল ধরা যায় কুরআনের নয়। ঠিক একই ভাবে কুরআনের ভূল ধরতে গেলে কুরআন পড়তে হবে।
আমি কুরআন পড়েছি, কুরআনের ভুল পেয়েছি; আর তাই আমি নাস্তিক হয়েছি। এজন্য অবশ্য আমাকে বিজ্ঞানের সাহায্য নিতে হয়েছে। নয়তো আমি কুরআনের ভূল ধরতে পারতাম না।
আর এজন্যই নাস্তিক হতে হলে কুরআন আর হাদিস ভালো ভাবে পড়তে হবে। নয়তো মুসলমান হতে হবে।
যারা দাবী করেছে যে, কুরআন পড়ে নাস্তিক হওয়া সম্ভব নয় যেভাবে বিজ্ঞানের বই পড়ে মূর্খ হওয়া যায় না- তাদেরকে বলতে চাই, ভাই আপনি কোন বইয়ের ভূল পেতে চাইলে সেই বইটিই পড়তে হবে। তবেই আপনি সেই বইটার ভূল সম্পর্কে জানতে পারবেন!

রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৪

বিশ্বজগতের বিস্ময়কর এক সৃষ্টি সময় বা কাল (Time) !

প্রাচীনকাল থেকে মানুষ ভেবে আসছে সময় চিরকাল থেকেই চলে এসেছে এবং চিরকাল থাকবে l অর্থাত সময় চিরন্তন একটা ব্যাপার সময় অনন্ত অসীম
কিন্তু বিজ্ঞান বলে সময় অনন্ত অসীম নয় সময়ের সৃষ্টি হয়েছে একটা নির্দিষ্ট সময় পূর্বে এবং এটির ধ্বংস হবারও খুব বেশি সম্ভাবনা রয়েছে বা ধ্বংস হবে
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী সময় সৃষ্টি হয়েছে বিগ ব্যাং-এর সময় থেকে এর পূর্বে কোন সময় ছিল না কারণ তখন সময় তৈরিই হয়নি অর্থাত বিগ ব্যাং-এর কোন পূর্ব মুহূর্ত ছিল না

মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৩

আমাদের এই বিশ্ব জগতে সত্যিই কি একজন ঈশ্বর থাকা সম্ভব ?

আমাদের এই বিশ্ব জগতে সত্যিই কি একজন ঈশ্বর থাকা সম্ভব ?
পৃথিবীতে সাড়ে সাতশো কোটিরও বেশি মানুষ বাস করে l এদের মধ্যে সিংহ ভাগ মানুষ ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে l এবং এদের মধ্যে সবাই কোনো না কোনো ধর্ম পালন করে l
পৃথিবীতে প্রায় আড়াই হাজার ধর্ম আছে l এবং প্রত্যেকটি ধর্ম একটির থেকে অন্যটি আলাদা l তাদের আদর্শ , নিয়ম কানুন সবকিছুতেই একটি থেকে অন্যটি ভিন্ন l এবং সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে প্রত্যেকের ঈশ্বর বা সৃষ্টি কর্তারাও সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা l তাদের কারো সাথে কারো মিল নেই l কোনো ধর্মে একটি আবার কোনো ধর্মে হাজার হাজার ঈশ্বর l আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো প্রত্যেক ধর্মের অনুসারীরা দাবি করে যে একমাত্র তাদের ধর্ম এবং তাদের ঈশ্বরই হচ্ছে সত্যি আর বাকি সবার ধর্ম এবং ঈশ্বর মিথ্যা l
এবার ধরি, এদের মধ্যে একটা ধর্ম সত্যি l সেই সত্যি ধর্মটা যেকোনো একটি হতে পারে l ফলে বাকি ধর্ম গুলো মিথ্যা হয়ে যায় l এখন আমদের বের করতে হবে কোন ধর্মটা সত্যি l

শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৩

অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মুসলমানরা

ইসলামের আবির্ভাবের পর থেকে যত সন্ত্রাসীপনা তারা করেছে এবং এখনও করে চলেছে - তারপরেও যারা দাবী করে ইসলাম শাাান্তির ধর্ম তাদের থেকে আবুল মানুষ আর পৃথিবীতে নেই। প্রকৃত সত্য হলো ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সন্ত্রাসের মাধ্যমে (যা অন্য কোন ধর্ম হয়নি)। এই সত্যটি যারা অস্বীকার করে জেনে বা না জেনে তারা কাপুরুষ। সত্য জানা এবং সেটা মেনে নেওয়া কোন সাধারণ মানুষের কাজ নয়। তারা অসাধারণ মানুষ।
ইসলাম সন্ত্রারের ধর্ম এটার প্রমাণ ইসলামের সৃষ্টিকর্তা মুহাম্মদ নিজেই। মুহাম্মদ কুরআন এবং হাদিসে তার প্রমাণ রেখে গেছে।
 এখন কেউ যদি ধর্মানুভূতির দুহাই দিয়ে যা এই সত্যটি জানতে এবং অন্য কাউকে জানতে দিতে চায় না তারাই হলো অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ।

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২

একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত সব ধরণের অর্থহীন কাজ করার আগে সেই কাজের নানা দিক চিন্তা করা।

যখনই দেখবেন আপনার চারপাশের মানুষগুলো কিছু অর্থহীন কাজে নিয়োজিত তখন আপনার উচিত নয় সেই সব অর্থহীন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। বেশিরভাগ মানুষই তার চারপাশের আচার আচরণ দ্বারা প্রভাহিত হয়। যদিও সেসব কাজ সব সময়ই সত্য হয় না। তাই একজন বুদ্ধিমান মানুষের উচিত সব ধরণের অর্থহীন কাজ করার আগে সেই কাজের নানা দিক চিন্তা করা। যদি সেই কাজের কোন সত্যতা থাকে এবং সেটির পক্ষে বহু প্রমান উপস্থিত থাকে তবেই কেবল একজন সচেতন মানুষের উচিত সেই কাজের পক্ষ নেওয়া।
তা না হলে সত্য এবং মিথ্যার পার্থক্য করা খুবই অসম্ভব হবে। আমাদের ভূলে গেলে চলবে না যে, বেশীর ভাগ মানুষই ভেরার মতো আনুগত্য হতে পছন্দ করে। যদি সেটা অর্থহীন কাজও হয় তবুও।
এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ আপনারা ধর্মগুলোর আচার অনুষ্ঠানগুলো দেখলেই পাবেন। পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষ নানা রকম অর্থহীন কাজ করে চলেছে তাদের কল্পনাকে সত্য বলে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। এগুলোর পক্ষে কোনরুপ বাস্তব প্রমাণ না পেয়েই।